InsuranceSports

উত্তেজনাপূর্ণ ম্যাচে, মেহেদী হাসান জেতালেন রাজশাহীকে

উত্তেজনাপূর্ণ ম্যাচে সেশ দারুন খেলে ম্যাচ জেতালেন। টি-টোয়েন্টি কাপের প্রথম ম্যাচে মুখোমুখি হয় ঢাকা বেক্সিমকো ও রাজশাহী মিনিস্টার গ্রুপ। এদিন রাজশাহী মিনিস্টার গ্রুপের দলে ছিলন না  সব থেকে বড় তারকা সাইফুদ্দিন। স্কায়াড দেখে মনে হচ্ছিল অনেকটা নড়বড়ে। কিন্তু মেহেদী হাসানের একক নৈপুণ্যে  ছিনিয়ে আনলো জয়।রাজশাহী মিনিস্টার গ্রুপ প্রথমে ব্যাট করতে নেমে শুরুতে আনিসুর রহমানের ব্যাটে ভলোই এগিয়ে যাচ্ছিলেন উত্তেজনাপূর্ণ ম্যাচে সে তার দারুন প্রতিভার মাধ্যমে দলকে দিলেন জেতার আনান্দ

উত্তেজনাপূর্ণ ম্যাচে, মেহেদী হাসান জেতালেন রাজশাহীকে

আরো পড়ুন….

কিন্তু হঠাৎ করেই হলেন ছন্দপতন।দলের রান ৪৮/২ উইকেট হতে, হঠাৎ করেই হয়ে যান ৬৫ রানে ৬ উইকেট। তার মধ্যে মোহাম্মদ আশরাফুল নয় বলে পাঁচ রানের বেশি করতে পারেননি। নাঈম হাসান এর দুর্দান্ত  ক্যাসে বিদায় নিতে হয় তাকে। ৬৫ রানে ৫ উইকেট পড়ার পরে উইকেটে জুটি বাঁধেন নুরুল হাসান সোহান ও মেহেদী হাসান। তারা দুজনে গড়ে তোলেন লম্বা জুটি। নুরুল হাসান সোহান ২৭ রান করে আউট হলেও চলতে থাকেন মেহেদী ম্যাজিক। করেন ৩২ বলে ৫০ রান। নুরুল মেহেদীর জুটি ভাঙ্গার পরে তেমন কোন বড় জুটি করে উঠতে পারেনি ফলে দ্রুত উইকেট হারাতে থাকে রাজশাহী।

কিন্তু শেষ দিকে ফরহাদ রেজা ৭ বলে ১১ রান করলে রাজশাহী মিনিস্টার গ্রুপ পৌঁছে যায় ১৬৯ রানের চ্যালেঞ্জিং স্কোরে। ১৭০ রানের টার্গেটে ব্যাট করতে নেমে শুরু থেকেই আক্রমণাত্মক ভাবে খেলতে থাকেন ঢাকা বেক্সিমকো। শুরুতে তানজিম তানজিম হাসান তামিম ১১ বলে করেন ১৭ রান।পরে নাঈম শেখ করেন ২৭ রান। দলের হয়ে সবথেকে বড় জুটি গড়েন, সদ্য অনূর্ধ্ব ১৯ চ্যাম্পিয়ন অধিনায়ক আকবর আলী ও মুশফিকুর রহিম। কিন্তু আকবার আলী ৩৪ রান করে ফরহাদ রেজার বলে আউট হন।

তখনোও উইকেটে থেকে স্বপ্ন দেখাচ্ছিলেন মুশফিকুর রহিম। কিন্তু ইবাদত হোসেনের এক দুর্দান্ত স্লোয়ারে

৪১ রানে বিদায় নেন মুশফিকুর রহিম। মুশফিকুর রহিমের বিদায়ের পর ব্যাট হাতে নামেন মুক্তার আলী।

তখন ঢাকা বেক্সিমকোর জয়ের জন্য প্রয়োজন ১২ বলে ৩০ রান। ১৯ তম ওভারে বল করতে আসেন ফরহাদ রেজা।মুক্তার আলী ফরহাদ রেজার করা ওভারে ২১ রান নিয়ে ম্যাচের মোড় নিজেদের দিকে ঘুরিয়ে নেন।

এবং এক ওভারে মারেন তিনটি বিশাল ছক্কা কিন্তু  অপরপ্রান্তে সাব্বির রহমান ছিল যেন নিষ্প্রাণ। ১৯ তম ওভারে মুক্তার আলীর ক্যামিওতে শেষ ওভারে জয়ের জন্য বেক্সিমকোর প্রয়োজন পড়ে ৬ বলে ৯ রান।

জয়ের জন্য এই সমীকরণ যেন মনে হচ্ছিল সময়ের ব্যাপার। তখনই রাজশাহী মিনিস্টার গ্রুপের অধিনায়ক নাজমুল হাসান শান্ত বল তুলে দেন তরুণ অলরাউন্ডার মেহেদী হাসানের হাতে আর তাতেই হয়ে যায় বাজিমাত।

মেহেদী হাসানের প্রথম দুই বল ব্যাটেই লাগাতে পারেননি মুক্তার আলী। তিন নম্বর বলে মারেন বাউন্ডারি। কিন্তু চার নম্বর বলে নো হওয়াই ফ্রি হিট পেয়ে যান মুক্তার আলী। কিন্তু বোলারের নাম যে,

মেহেদি হাসান, এরপরের দুটি বলই ব্যাটে লাগাতে পারেনি মুক্তার আলী। ফলে ৪ রানের এক দুর্দান্ত জয় পায় রাজশাহী মিনিস্টার গ্রুপ।

জয়ের নায়ক মেহেদী হাসান ব্যাট হাতে করেন ৩২ বলে ৫০ এবং বল হাতে ৪ ওভারে ১৫ রান দিয়ে নেন এক উইকেট।

উল্লেখ্য যে বঙ্গবন্ধু কাপের দ্বিতীয় ম্যাচে

জেমকন খুলনা ও ফরচুন বরিশাল মুখোমুখি হবে

সন্ধ্যা সাড়ে ছয়টায়।

Related Articles

Leave a Reply

Your email address will not be published.

Back to top button