ধর্ম

জামায়াতে নামাজ পড়ার নিয়ম

রাসূল আকরাম (স:) যে রাতে মি”রাজ অনুষ্ঠিত হয় অর্থাৎ তিনি যে রাতে মহান আল্লাহর অসীম কুদরতে এ দুনিয়া থেকে সপ্তম আসমানে পরিভ্রমণ করেন ,বেহেশত – দোযখ অবলোকন করেন এবং মহান আল্লাহর দিদার লাভ করেন ঔ রাতে মহান আল্লাহ পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ উপহার স্বরূপ দান করেন প্রথমে পঞ্চাশ ওয়াক্ত নামাজ দান করেন। কিন্তু রাসূল (স:) উম্মতের দুর্বলতা জনিত কারণে কমাতে কমাতে অবশেষে পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ বান্দার জন্য কবুল করে নিয়ে আসেন।

জামায়াতে নামাজ পড়ার নিয়ম jamate namaj porar niom namaj porar niom

দেখে নিন জামায়াতে নামাজ পড়ার নিয়ম

আযানের পর মুসল্লিগণ সমবেত হলে মুয়াযযিন ইমামের পিছনে প্রথমকাতারে দাঁড়িয়ে ইকামত দিবে ইকামত আরম্ভ হলে মুক্তাদিগণ কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে সােজা হয়ে দাঁড়াবে।

ইকামত শেষ হলে নামাযের নিয়ত করে আল্লাহু আকবার বলে তাহরীমা বাঁধবে। ইমাম নিয়ত করার সময় মুতাওয়াজ্জিহান শব্দ বলার পূর্বে আনা ইমামু লিমানীহাদ্বারা ওয়া মাইয়াহদূরূ অর্থাৎ যারা উপস্থিত আছে এবং যারা উপস্থিত হবে আমি তাদের ইমাম বলে নিয়ত করবে এবং মুক্তাদিগণ মুতাওয়াজ্জিহান বলার পূর্বে ইকতাদাইতু বিহাযাল ইমাম অর্থাৎ এ ইমামের পেছনে আমি নামাযের নিয়ত করলাম বলে আল্লাহু আকবার বলে তাহরীমা বাধবে। ইমাম সানা, আউযুবিল্লাহ বিস্‌মিল্লাহি পরে সূরায়ে ফাতিহা ও অন্য কোন সূরা বা আয়াত পড়তে শুরু করবে এবং মুক্তাদিগণ সানা পড়ে চুপ করে ইমামের কিরায়াত শুনবে।

ইমামের সূরায়ে ফাতিহা পড়া শেষ হলে মুক্তাদিগণ মনে মনে আমীন বলবে। ইমাম কিরায়াত পড়া আরম্ভ করার পর যদি কেউ জামায়াতে শামিল হয়, তবে নিয়ত করে তাহরীমা বেঁধে সানা না পড়ে ইমামের কিরায়াত শুনতে থাকবে। ইমাম সামিআল্লাহু লিমান হামীদাহু’ বলে রুকু থেকে সােজা হয়ে দাঁড়ালে, মুক্তাদিগণ সকল অবস্থায় ইমামের অনুসরণ করবে।

ইমামের পূর্বে রুকু-সিজদা ইত্যাদি করবে না, করলে গুনাহগার হবে। ইমাম মাগরিব ও ইশার প্রথম দু’রাকাআতে এবং ফজর, তারাবীহ ও ঈদের উভয় রাকাআতে কিরায়াত জোরে পড়বে এবং রামযানে বিতর নামায জামায়াতে আদায় করবে।

আরো পড়ুনঃ একরাত্রি গল্পের নামকরণের সার্থকতা

নামাজ নিয়ে সাধারন মুসল্লিগণের কিছু প্রশ্ন উত্তরঃ

প্রশ্নঃ কি কি কারণে জামাত ত্যাগ করা যায়?

উত্তরঃ ঘূর্ণিঝড়, টর্নেডো, প্রবল বৃষ্টি, বন্যা ও প্রচণ্ড শীত , রাস্তায় বেশি কাদা হলে, অসুস্থতা ও ভয়ের কারণ, ঘন ঘন প্রস্রাব-পায়খানার বেগ হলে, ছোঁয়াচে কোন রোগ, বন্দি অবস্থায়, ইত্যাদি কারনে জামাত ত্যাগ করা যেতে পারে।

প্রশ্নঃ জামাতে নামাজ আদায় করা কি ফরজ?

উত্তরঃ প্রাপ্তবয়স্ক পুরুষের জন্য জামাতের সঙ্গে নামাজ পড়া সুন্নাতে মুয়াক্কাদাহ তথা অনেকটা ওয়াজিবের কাছাকাছি সুতরাং সবার উচিৎ জামাতে নামাজ আদায় করা।

আশাকরি জামায়াতে নামাজ পড়ার নিয়ম সম্পর্কে নিয়ম বা বিধান রয়েছে তা বুঝতে পেরেছেন আরো কিছু জানার থাকলে নিচে কমেন্ট বক্সে কমেন্ট করতে পারেন। ধন্যবাদ…………

Shakil Daloar

Hello I'm Shakil Daloar I've completed my undergraduate and postgraduate degree from the Department of Economics at the National University and has been observing the economic, political, social and humanitarian aspects of the society since 2021. The attraction of people to the new is everlasting - so I write regularly on the study at home website.

Leave a Reply

Your email address will not be published.

Back to top button